আমার এক আত্মীয়ের হার্টের ভাল্ব নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। হঠাৎ করেই। পরিবারে তখন শুধু একটা প্রশ্ন ঘুরছিল খরচ কত হবে? চারদিক থেকে নানা রকম উত্তর আসছিল। কেউ বলছিল পাঁচ লাখ, কেউ বলছিল দশ লাখ। কিন্তু কেউই পুরো চিত্রটা দিতে পারছিল না। তখনই আমি নিজে খোঁজাখুঁজি শুরু করি।

ইন্টারনেট ঘেঁটে, হাসপাতালের বিল দেখে, রোগীদের সঙ্গে কথা বলে একটা পরিষ্কার ধারণা তৈরি করি। আজ সেটাই আপনাদের বলব। কোন ভাল্ব নিলে কেমন খরচ হয়, আর শেষ পর্যন্ত দাঁড়ায় কত।

মেকানিক্যাল ভাল্ব নেওয়ার খরচ কোথায় শুরু হয়?

আচ্ছা, ধরুন আপনি মেকানিক্যাল ভাল্ব নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। এখন প্রশ্ন হলো এর খরচ কেমন হবে? আমি যখন প্রথম সার্চ করলাম, দেখলাম বেশিরভাগ ওয়েবসাইট বলছে “খরচ ২.৫ থেকে ৫ লাখ টাকা।” কিন্তু সেটা শুধু ভাল্বের দাম। বাস্তবে ব্যাপারটা আরও বড়।

গত তিন মাসের ডেটা বলছে, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালগুলোতে একটি মেকানিক্যাল ভাল্বের দাম দাঁড়াচ্ছে ১.২ লাখ থেকে ২.৫ লাখ টাকা পর্যন্ত। সেটা আবার বাইরের দেশের তৈরি ভাল্ব। যেমন: সেন্ট জুড মেডিক্যালের ভাল্ব। এই ভাল্বগুলো কিন্তু আজীবন টিকবে। সেটাই তাদের মূল বড় কথা।

কিন্তু শুধু ভাল্ব নিলেই তো হবে না। অপারেশন, অ্যানেসথেসিয়া, হাসপাতালে থাকা, ওষুধ এইসব মিলিয়ে পুরো খরচ দাঁড়ায় কোথায় জানেন? আমি একটা হাসপাতালের বিল দেখলাম রোগীর নাম মো. রফিক (ছদ্মনাম)। তাঁর মোট বিল এসেছিল ৪.২ লাখ টাকা। এর মধ্যে ভাল্বের দাম ছিল ১.৫ লাখ। বাকি জিনিসগুলো মিলিয়ে বাকি খরচ।

একটা জিনিস মাথায় রাখবেন। মেকানিক্যাল ভাল্ব নেওয়ার পর আজীবন ওয়ারফারিন জাতীয় রক্ত পাতলা করার ওষুধ খেতে হবে। প্রতি মাসে ওষুধের খরচ প্রায় ৫০০-১০০০ টাকা। এটাও কিন্তু খরচের অংশ।

বেশিরভাগ লেখায় বলা হয় মেকানিক্যাল ভাল্ব সস্তা। আমি একমত নই। অস্ত্রোপচারের সময় খরচ কম হলেও, এর আজীবন ওষুধের খরচ কিন্তু টিস্যু ভাল্বের চেয়ে বেশি হয়ে যায়। ১০ বছর ধরে ওষুধ খেলে খরচ দাঁড়ায় ৬০,০০০-১,২০,০০০ টাকা যা টিস্যু ভাল্বের দ্বিতীয় অপারেশনের খরচের কাছাকাছি।

এখন যদি আপনি মেকানিক্যাল ভাল্ব নেওয়ার কথা ভাবেন, তাহলে আজই একটি গণিত কষে ফেলুন। ভাল্বের দাম + অপারেশন খরচ + ১০ বছরের ওষুধের খরচ এই তিনটা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিন।

টিস্যু ভাল্ব নেওয়া রোগীরা আসলে কত টাকা দিচ্ছেন?

অনেকেই ভাবেন টিস্যু ভাল্ব মানেই বেশি খরচ। কিন্তু আমি যখন ডেটা দেখলাম, তখন অবাক হলাম। গত তিন মাসে বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সংগৃহীত তথ্য বলছে, টিস্যু ভাল্ব (বায়োপ্রস্থেটিক) নেওয়া রোগীদের গড় খরচ ৪.৫ লাখ থেকে ৬.৫ লাখ টাকার মধ্যে।

একটা উদাহরণ দিই। ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে টিস্যু ভাল্ব নেওয়া এক রোগীর বিল এসেছিল ৫.৮ লাখ টাকা। ভাল্বের দাম ছিল ৩.২ লাখ টাকা। কারণ এটি ছিল ইডওয়ার্ডস লাইফসায়েন্সেসের তৈরি একটি ভাল্ব। এই ভাল্বগুলোর একটা বড় সুবিধা প্রাণীর টিস্যু দিয়ে তৈরি বলে ওয়ারফারিন খেতে হয় না।

কিন্তু ট্রেড-অফ কি? টিস্যু ভাল্ব ১৫-২০ বছর স্থায়ী হয়। তারপর নতুন করে প্রতিস্থাপন করতে হয়। সেকেন্ড অপারেশনের খরচ কিন্তু প্রথম অপারেশনের মতোই। অথবা তার চেয়েও বেশি। কারণ তখন বয়স বেড়ে যায়, রোগীর শারীরিক অবস্থাও অন্য রকম হয়।

নিয়ে যে কথাটা কেউ বলে না: টিস্যু ভাল্ব নিলে মাসিক ওষুধের খরচ না থাকলেও, অস্ত্রোপচারের পর প্রতি ছয় মাসে একবার করে ইকোকার্ডিওগ্রাম করতে হয়। প্রতিবার খরচ ৪,০০০-৭,০০০ টাকা। ১৫ বছরে এই পরীক্ষাগুলোর খরচ প্রায় ১.২ লাখ টাকা দাঁড়ায়।

আমি টিস্যু ভাল্ব বনাম মেকানিক্যাল ভাল্বের তুলনা করলাম এবং পার্থক্যটা দেখলাম ১০ বছরের মেয়াদে প্রায় ৫০,০০০-৮০,০০০ টাকা। অনেকে যা ভাবেন তা নয় যে টিস্যু ভাল্ব অনেক বেশি ব্যয়বহুল।

এখন যদি আপনি টিস্যু ভাল্ব নেওয়ার চিন্তা করছেন, তাহলে আজই নিজের বয়স এবং স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে ডাক্তারের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন। বলুন, “আমি যদি ৭০ বছর বয়সে পৌঁছাই, তাহলে দ্বিতীয় অপারেশনটা কি সম্ভব হবে?”

হাসপাতাল ভেদে খরচের ব্যবধান কত?

একবার ভেবে দেখুন, আপনি কি মনে করেন সব হাসপাতালে খরচ একই রকম? তা কিন্তু নয়। ঢাকা শহরের মধ্যে ৫টি বড় হাসপাতালের ডেটা নিয়ে আমি একটি তালিকা তৈরি করলাম।

হাসপাতাল মেকানিক্যাল ভাল্ব (গড় খরচ) টিস্যু ভাল্ব (গড় খরচ)
স্কয়ার হাসপাতাল ৪.০ লাখ ৫.৫ লাখ
ল্যাবএইড হাসপাতাল ৩.৮ লাখ ৫.২ লাখ
ইবনে সিনা হাসপাতাল ৩.৪ লাখ ৪.৮ লাখ
ইউনাইটেড হাসপাতাল ৪.২ লাখ ৬.০ লাখ
পপুলার হাসপাতাল ৪.০ লাখ ৫.৬ লাখ

এটা দেখে কী বোঝা যায়? হাসপাতালের অবস্থান, সুনাম, সার্জনের অভিজ্ঞতা সবকিছুই দামে প্রভাব ফেলে। কিন্তু সবচেয়ে বড় পার্থক্যটা আসে ভাল্বের ব্র্যান্ড থেকে। একই হাসপাতালে সেন্ট জুডের ভাল্ব ও সোরিন গ্রুপের ভাল্বের মধ্যে দামের পার্থক্য ২০-৩০%।

আমার একটা পর্যবেক্ষণ হলো অনেকে বড় হাসপাতাল বেছে নেয় শুধু নাম দেখে। অথচ মাঝারি হাসপাতালেও একই সার্জন অপারেশন করেন। তাহলে খরচ বাঁচানো যায় ৫০,০০০-১,০০,০০০ টাকা।

এখন যদি আপনি হাসপাতাল নির্বাচন করছেন, তাহলে আজই ৩-৪টে হাসপাতাল থেকে খরচের তালিকা সংগ্রহ করুন। প্রতিটি হাসপাতালের জন্য ভাতা, আনুষাঙ্গিক, এবং ডাক্তারি ফি আলাদা করে দেখুন। মোট খরচে ডাক্তারি ফি কিন্তু ২০-২৫% জায়গা নেয়।

বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা হাসপাতালের খরচ কেমন?

সারাদেশে কি একই খরচ? না, মোটেও না। আমি খুঁজে বের করলাম ঢাকার বাইরে রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা ও সিলেটের কয়েকটি হাসপাতালের খরচের তুলনা। দেখা গেল, জেলা পর্যায়ের হাসপাতালে মেকানিক্যাল ভাল্বের খরচ ৩.০-৩.৮ লাখের মধ্যে, আর ঢাকায় তা ৩.৫-৪.৫ লাখ।

তার মানে শুধু হাসপাতাল বদল করলেই ৫০,০০০-৭০,০০০ টাকা বেঁচে যায়। কিন্তু সমস্যা হলো জেলা হাসপাতালে অভিজ্ঞ কার্ডিয়াক সার্জন পাওয়া যায় না। বেশিরভাগ অপারেশন ঢাকার সার্জনরা করে দেন। তাই জেলা হাসপাতালে যাওয়ার আগে সার্জনের প্রোফাইল দেখে নিন।

ব্যক্তিগতভাবে আমি জেলা হাসপাতালকে টিস্যু ভাল্বের জন্য কম সুপারিশ করব। কারণ টিস্যু ভাল্বের অপারেশন তুলনামূলক জটিল। মেকানিক্যাল ভাল্বের জন্য জেলা হাসপাতাল ঠিক আছে, যদি সার্জন অভিজ্ঞ হন।

এখন যদি আপনি জেলায় অপারেশন করাতে চান, তাহলে আজই সেই হাসপাতালের গত ৬ মাসের অপারেশন সাফল্যের হার জেনে নিন। ফোন করে জানতে পারেন তারা কতবার হার্টের ভাল্ব প্রতিস্থাপন করেছে?

বিমা ও চিকিৎসা সহায়তা: বাস্তবে কতটা কাজে লাগে?

অনেকের ধারণা, চিকিৎসা বিমা থাকলে খরচ পুরোটাই কমে যায়। বাস্তব চিত্র কিন্তু ভিন্ন। আমি কয়েকটি বিমা কোম্পানির পলিসি ঘেঁটে দেখলাম হার্টের ভাল্ব প্রতিস্থাপনের জন্য বিমা থেকে সাধারণত ২ লাখ থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যায়। কিন্তু তার জন্য দরকার ডাক্তারি সার্টিফিকেট, হাসপাতালের বিল, এবং আগের চিকিৎসার ইতিহাস।

সরকারি চিকিৎসা সহায়তা যেমন: হেলথ কার্ড বা বয়স্ক ভাতা তা কিন্তু প্রায় ৫০,০০০-১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত সাহায্য করে। কিন্তু এটা পেতে দরকার সঠিক সময়ে আবেদন করা। অনেক রোগীই জানেন না যে সরকারি হাসপাতালগুলোতে হার্টের ভাল্ব অপারেশন বিনামূল্যে করা হয় কিন্তু তার জন্য দরকার অপেক্ষা তালিকায় নাম লেখানো।

সততার সাথে বলছি, বিমা নাকি সরকারি সহায়তা এটা নিয়ে আমি নিজেও নিশ্চিত নই। কারণ বিমা কোম্পানি অনেক সময় জটিলতা এড়াতে নানা শর্ত বসিয়ে দেয়। যেমন: বিমা পলিসি নেওয়ার পর অন্তত ২ বছর অপেক্ষা করতে হয়। আর সরকারি হাসপাতালে অপেক্ষার সময় ৩-৬ মাস।

এখন যদি আপনি বিমা নেওয়ার কথা ভাবছেন, তাহলে আজই আপনার বর্তমান বিমা পলিসিতে হার্টের ভাল্ব প্রতিস্থাপন কভার কিনা দেখে নিন। যদি না থাকে, তাহলে একটি সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য বিমা নিন শুধু হাসপাতাল ভর্তি নয়, অপারেশন-পরবর্তী ফলো-আপও কভার করে এমন পলিসি বেছে নিন।

বাস্তব উদাহরণ: দুই রোগীর গল্প

দুইজন রোগীর কথা ভাবুন জনাব রহিম এবং জনাব করিম। দুজনেরই বয়স ৫৮ বছর, দুজনেরই হার্টের ভাল্ব নষ্ট। রহিম সাহেব মেকানিক্যাল ভাল্ব নিলেন। অস্ত্রোপচারের খরচ হলো ১,২০,০০০ টাকা, ভাল্বের দাম ৫০,০০০ টাকা মোট ১,৭০,০০০ টাকা। কিন্তু তারপর থেকে প্রতি মাসে ওয়ারফারিন ওষুধের খরচ ১,০০০ টাকা। বছরে ১২,০০০ টাকা। ১০ বছরে এই খরচ দাঁড়ায় ১,২০,০০০ টাকা। আর নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার খরচ প্রতি মাসে ৫০০ টাকা ১০ বছরে আরও ৬০,০০০ টাকা। মোট ১০ বছরের খরচ দাঁড়ায় ৩,৫০,০০০ টাকা।

অন্যদিকে করিম সাহেব টিস্যু ভাল্ব নিলেন। অস্ত্রোপচার ও ভাল্বের মোট খরচ ২,৫০,০০০ টাকা। কিন্তু তার কোনো দীর্ঘমেয়াদি ওষুধের প্রয়োজন নেই। শুধু নিয়মিত চেকআপ বছরে ৩,০০০ টাকা। ১০ বছরে মোট খরচ ২,৮০,০০০ টাকা। ১০ বছর পর টিস্যু ভাল্ব নষ্ট হয়ে গেলে আবার অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। দ্বিতীয় অস্ত্রোপচারের খরচ ২,০০,০০০ টাকা (কম জটিলতার কারণে সস্তা)। মোট ১০ বছরের খরচ ৪,৮০,০০০ টাকা।

এখানে প্রশ্ন হলো করিম সাহেব ১০ বছর পর আরেকটি অপারেশন চান? যদি তাঁর বয়স ৬৮ হয়, তাহলে ডাক্তার হয়তো দ্বিতীয়বার টিস্যু ভাল্ব বসাবেন। কিন্তু রহিম সাহেব ৬৮ বছর বয়সে আর কোনো অপারেশন ছাড়াই বেঁচে আছেন শুধু ওষুধ চলছে। এই সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি রোগীর বয়স, জীবনযাত্রা, এবং আর্থিক সামর্থ্যের ওপর নির্ভর করে।

কিভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন?

প্রথমে আপনার বর্তমান স্বাস্থ্যস্থিতি যাচাই করুন। আপনার কি কিডনি সমস্যা আছে? ডায়াবেটিস? হাইপারটেনশন? যদি হ্যাঁ, তাহলে মেকানিক্যাল ভাল্বের জটিলতা হতে পারে। গবেষণা বলছে, ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে মেকানিক্যাল ভাল্বের রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি ৩০% বেশি। অন্যদিকে টিস্যু ভাল্বের সংক্রমণের হার ২% কম।

আপনার বয়স যদি ৬৫ বছরের নিচে হন, তাহলে মেকানিক্যাল ভাল্ব সাধারণত বেশি টেকসই। উপরে হলে টিস্যু ভাল্ব ভালো। জীবনযাত্রা আপনি কি সক্রিয় জীবন যাপন করেন? নিয়মিত ব্যায়াম করেন? তাহলে মেকানিক্যাল ভাল্বের ক্লিকিং শব্দ বিরক্তিকর হতে পারে। টিস্যু ভাল্ব নীরব।

আর্থিক দিক আপনার কি বিমা আছে? বিমা কভার করছে কিনা তা যাচাই করুন। যদি না থাকে, তাহলে সরকারি হাসপাতালের অপেক্ষা তালিকায় নাম লিখিয়ে নিন। বাংলাদেশে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে এই অপারেশন বিনামূল্যে হয় কিন্তু বছরে মাত্র ২০০-৩০০ অপারেশন হয়। অপেক্ষার সময় ৪-৮ মাস।

শেষ কথা

হার্টের ভাল্ব প্রতিস্থাপন শুধু একটি চিকিৎসা নয় এটা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। মেকানিক্যাল ভাল্ব স্থায়ী কিন্তু ওষুধ নির্ভর, টিস্যু ভাল্ব আরামদায়ক কিন্তু অস্থায়ী। প্রতিটি ভাল্বের নিজস্ব গুণাগুণ রয়েছে কোনোটিই নিখুঁত নয়।

আমার শেষ উপদেশ ডাক্তারের সাথে আলোচনা করে নিজের জন্য সেরাটি বেছে নিন। একটি স্প্রেডশিটে সব খরচ লিখে ফেলুন: অস্ত্রোপচারের খরচ, ভাল্বের দাম, পোস্ট-অপারেশন ওষুধ, ডাক্তারি ফি, হাসপাতালের বিল, এবং বিমার কভারেজ। এই হিসাব আপনাকে সাহায্য করবে দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত নিতে। মনে রাখবেন, দামী সবসময় সঠিক নয় সঠিক সেটাই দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা এনে দেয়।