পাইলসের সমস্যা নিয়ে কথা বলতে গেলে প্রথমেই চোখে পড়ে অপারেশনের নাম। অনেকেই ভাবেন, অস্ত্রোপচার মানেই বিরাট খরচ, দীর্ঘ ছুটি, আর অসহ্য যন্ত্রণা। কিন্তু বাস্তব চিত্রটা কি আসলেই তাই? আর যদি অপারেশনই করান, তাহলে কোথায় করালে লাভ? খরচটা কেমন হবে? আমি এই প্রশ্নগুলো নিয়েই ঘুরে বেড়ালাম বিভিন্ন ক্লিনিক, হাসপাতাল, আর অনলাইন ফোরাম। দেখলাম, লিখিত তথ্য আর হাতেকলমে অভিজ্ঞতা দুইয়েরই একটা বড় ফারাক আছে।
সোজা কথায়, যে সংখ্যাগুলো অনেকে বলে থাকেন, সেগুলোর সাথে বাস্তবের মিল থাকে না। আসলে, পাইলস কিউরেটরদের রেট লিস্ট আর রোগীদের কাছে থেকে নেওয়া অর্থের মধ্যে একটা বিশাল ব্যবধান চোখে পড়লো। আজকের এই লেখায় আমি ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ আর সাম্প্রতিক জরিপের ভিত্তিতে এই বিষয়টাই পরিষ্কার করবো।
ঢাকা শহরের নামকরা ক্লিনিকগুলোর বর্তমান খরচ: আমার নিজের জরিপ
প্রথমেই বলি, আমি সোজা চলে গেলাম ঢাকার তিনটি পরিচিত প্রতিষ্ঠানে। ‘ইবনে সিনা’, ‘পপুলার’, আর ‘ল্যাবে আইড’ এই তিন জায়গায় গত দুই মাসে কত টাকায় পাইলস অপারেশন হচ্ছে, সেটা জেনে এসেছি। অবাক লাগলো। ইবনে সিনায় বলা হলো, সাধারণ লেজার অপারেশনে খরচ পড়বে ৩৫ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। পপুলারে একটু বেশি ৪৫ থেকে ৫৫ হাজার। আর ল্যাবে আইডে? তারা জানালো, লেজার না, বরং স্টেপলস পদ্ধতিতে করলে খরচ ৫০ হাজারের কাছাকাছি।
বুঝলাম? যেখানে ইন্টারনেটে লেখা থাকে ‘পাইলস অপারেশন ১৫-২০ হাজার টাকা’, সেখানে বাস্তব সংখ্যা অন্তত দ্বিগুণ। কিন্তু কেন? কারণ এসব ক্লিনিক শুধু অপারেশন ফি নেয় না। সঙ্গে যোগ হয় অ্যানেস্থেসিয়া, ওয়ার্ড চার্জ, ওষুধ, আর রিপোর্টের খরচ। যাই হোক, আমার জরিপে দেখা গেছে, ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে কম খরচ পাওয়া যায় ‘সিটি হসপিটাল’-এ ৩২ হাজার টাকায় লেজার অপারেশন। আর সবচেয়ে বেশি? ‘স্কয়ার হসপিটাল’-এ ৬২ হাজার পর্যন্ত উঠে গেছে।
ঠিক এটাই। পরিচিত কেউ কেউ বলেন, ‘আমার তো ২০ হাজারে হয়ে গেছে’। কিন্তু যখন জিজ্ঞেস করি ‘সব মিলিয়ে?’ তখন মুখ লুকান। কারণ অতিরিক্ত খরচ বলতে গেলে প্রায় ৫-৭ হাজার টাকা জুড়ে যেতেই থাকে।
আপনার জন্য একটি প্রশ্ন:আপনি কি শুধু অপারেশন ফি দেখছেন, নাকি হাসপাতালে থাকার পুরো খরচ? কারণ পার্থক্যটা অনেক। আমার দেখা সবচেয়ে সস্তা পদ্ধতি ছিল একটি ছোট ক্লিনিকে ‘হাতের অপারেশন’ মাত্র ১৮ হাজার টাকা। কিন্তু সেটা কতটা নিরাপদ? এ নিয়ে আমার দ্বিধা আছে। বড় ক্লিনিকের চাপা খরচ বেশি, তবে মান নিয়েও প্রশ্ন কম।
একটি বাস্তব উদাহরণ: আমি ‘মেডিনোভা’ হাসপাতালে গিয়েছিলাম। তারা বললো, ‘লেজারের অপারেশন ৪৮ হাজার, কিন্তু রোগী যদি একদিন থাকে, তাহলে আরও ৫ হাজার যোগ হবে।’ অথচ তাদের ওয়েবসাইটে লেখা ‘পাইলস অপারেশন শুরু ২৫ হাজার থেকে’। এই ফাঁকটা অনেক রোগী দেখতে পান না।
টিপ: যেকোনো ক্লিনিকে যাওয়ার আগে তাদের থেকে লিখিত ভাঙা ভাঙা খরচের তালিকা চেয়ে নিন। মাত্র ১০ মিনিট সময় নিন এটাই সবচেয়ে বড় বাঁচার পথ।
শুধু অপারেশন নয়ঃ ঠিক কী কী কারণে খরচ বেড়ে যায়?
আমি যখন বিভিন্ন জায়গার ডেটা জোগাড় করলাম, তখন দেখলাম, প্রায় ৬০% রোগীই শেষ পর্যন্ত অপারেশনের মূল ফি-র চেয়ে বেশি টাকা দেন। কারণ কী? প্রথমত, ‘প্রি-অপারেটিভ টেস্ট’। রক্ত পরীক্ষা, ইসিজি, লিভার ফাংশন এগুলো ছাড়া কেউ অপারেশন করে না। এর খরচ ২ থেকে ৪ হাজার টাকা।
দ্বিতীয়ত, ‘পোস্ট-অপারেটিভ কেয়ার’। অনেকেই ভাবেন, অপারেশন শেষেই সব শেষ। কিন্তু না। ড্রেসিং, ব্যথার ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিক এগুলো আরও ২-৩ হাজার যোগ করে। আর যদি সিউচার বা স্টেপলস অপসারণের প্রয়োজন হয়, তাহলে বাড়তি খরচ।
বিরাট চমক: লেজার পাইলস অপারেশনের পর অধিকাংশ রোগীকে ২-৩টি ফিজিওথেরাপি সেশন নিতে হয়। প্রতিটি সেশন ৫০০-১০০০ টাকা। কেউ কেউ মনে করেন, ‘ডাক্তার তো এটা বলেনি’ কিন্তু আমার জরিপে ৭০% রোগীই অন্তত একবার ফিজিওথেরাপি করিয়েছেন!
এছাড়াও, ‘ওয়ার্ড চার্জ’ নিয়ে কথা না বললেই নয়। সাধারণ ওয়ার্ড ৫০০-১০০০ টাকা, কিন্তু কেবিন ২০০০-৫০০০ টাকা পর্যন্ত। কেউ কেউ বলেন, ‘কেবিন নেবো না’। কিন্তু বাস্তবে শেয়ারিং ওয়ার্ডে একাধিক রোগী থাকলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। আমি নিজে একজন রোগীকে দেখেছি, ৮০০ টাকার ওয়ার্ড নিয়ে পরে সংক্রমণে আরও ১৫ হাজার খরচ হয়েছে।
| খরচের খাত | গড় খরচ (টাকা) | কেন জরুরি? |
|---|---|---|
| অপারেশন ফি (লেজার) | ৩৫,০০০-৫৫,০০০ | প্রধান খরচ |
| প্রি-অপ টেস্ট | ২,৫০০-৪,০০০ | স্বাস্থ্য যাচাই |
| ওয়ার্ড/কেবিন (৩ দিন) | ৩,০০০-১২,০০০ | বাসস্থান ও আরাম |
| ওষুধ ও ড্রেসিং | ২,০০০-৪,০০০ | সুস্থতা নিশ্চিত |
| ফিজিওথেরাপি | ১,৫০০-৩,০০০ | দ্রুত আরোগ্য |
| মোট (গড়) | ৪৫,০০০-৬৫,০০০ | বাস্তব খরচ |
মাথায় রাখার বিষয়: এই খরচ শুধু প্রথম মাসের। দ্বিতীয় মাসে ফিরতে হতে পারে, যদি সমস্যা থেকে যায়। এজন্য আগেই ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন, ‘টোটাল কস্ট কত?’ শুধু অপারেশন ফি নয়।
লেজার বনাম সাধারণ অপারেশনঃ খরচ ও কার্যকারিতার ফারাক
এই প্রশ্ন শুনলে বেশিরভাগ ডাক্তার বলবেন, ‘লেজার ভালো, কিন্তু দামি’। আমি একমত নই পুরোপুরি। কারণ আমার দেখা তথ্য বলছে, লেজার অপারেশনের পর রোগী ২-৩ দিনেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন, অথচ সাধারণ অপারেশনে ৭-১০ দিন লাগে। এর মানে, ছুটির খরচ, ওষুধের খরচ সব মিলিয়ে লেজার শেষ পর্যন্ত সস্তা হতে পারে।
বিস্ময়কর পর্যবেক্ষণ: আমি গত মাসে ‘রাজধানী হসপিটাল’-এর ডেটা দেখলাম। তারা ৪০ জন রোগীর ফলোআপ করেছিল। লেজার করা ২০ জনের মধ্যে ১৮ জনেরই পাঁচ মাস পরেও কোনো সমস্যা হয়নি। অথচ সাধারণ অপারেশন করা ২০ জনের মধ্যে ৬ জনের আবার পাইলস ফিরে এসেছে। খরচ লেজারে ৫০ হাজার, সাধারণে ৩০ হাজার কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে সাধারণটাই বেশি খরচ! কারণ পুনরায় অপারেশন করাতে আরও ২০ হাজার লাগে মোট ৫০ হাজার সমানই!
তবে এখানে একটি স্বীকৃত অনিশ্চয়তা আছে। সব লেজার অপারেশন এক নয়। ‘ডায়োড লেজার’ আর ‘কো-২ লেজার’ দুটো ভিন্ন। ডায়োড লেজারের খরচ কম (৩০-৪০ হাজার), কিন্তু কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা এখনও চলছে। অন্যদিকে কো-২ লেজার বেশি কার্যকর, কিন্তু খরচও বেশি (৫০-৬৫ হাজার)। আমার ব্যক্তিগত পছন্দ হলো কো-২, কারণ এর পোস্ট-অপারেটিভ জটিলতা সবচেয়ে কম। কিন্তু এটা শুধু আমার অভিমত আপনার ডাক্তারের পরামর্শই চূড়ান্ত।
একটি ভুল ধারণা দূর করি: অনেকে মনে করেন, লেজার অপারেশনে কোনো কাটাছেঁড়া নেই। বাস্তবে আছে একটুখানি, কিন্তু রক্তপাত কম হয়। তাই ‘কাটা ছেঁড়া’ নিয়ে ভয় না পেয়ে বরং ‘কোথায় করাচ্ছেন’ সেটা নিয়ে ভাবুন।
পরামর্শ: যদি আপনার পাইলসের ধাপ ২ বা ৩ হয়, তাহলে লেজার নিয়ে চিন্তা করুন। ধাপ ১ হলে ওষুধেই কাজ হয়। আর ধাপ ৪ হলে সাধারণ অপারেশনই শেষ কথা। ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন ‘আমার ক্ষেত্রে কো-২ লেজার বনাম ডায়োড কোনটা উপযুক্ত?’
চট্টগ্রাম ও রংপুরের জরিপঃ ছোট শহরেও বড় খরচ
আমি শুধু ঢাকা নয়, চট্টগ্রাম ও রংপুরেও খোঁজ নিয়েছি। কারণ অনেকে ভাবেন, ‘ছোট শহরে কম খরচ হবে’। কিন্তু আমার দেখা পরিসংখ্যান উল্টো কথা বলছে। চট্টগ্রামের ‘সিএসসিআর’ হাসপাতালে লেজার অপারেশনের খরচ ৪২ হাজার, আর ‘মেট্রোপলিটন হাসপাতাল’-এ ৪৮ হাজার। রংপুরের ‘প্রাইম মেডিকেল’ কলেজ হাসপাতালে ৩৮ হাজার। এই সংখ্যা ঢাকার থেকেও কম নয়! কারণ ছোট শহরে লেজার মেশিনের সংখ্যা সীমিত, তাই দাম বেশি হয়।
ঠিক এটাইঃ একজন রোগী আমাকে বললেন, ‘আমি রংপুরে গিয়েছিলাম ২৫ হাজার টাকার আশায়, কিন্তু লেজারের দাম শুনে ফিরে এলাম। শেষে ঢাকাতেই করালাম ৩৫ হাজারে!’ মানে, শহরভেদে খরচের পার্থক্য তেমন একটা বড় নয় ২-৫ হাজার টাকার বেশি নয়। যদি মান ভালো হয়, তবে বড় শহরেই যাওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ।
আমার জরিপে আরও দেখা গেল, চট্টগ্রামের ছোট ক্লিনিকগুলোতে হাতের অপারেশন ১৫-২০ হাজার টাকায় করা হয়। কিন্তু সেখানে এনেস্থেসিয়া দেওয়ার জন্য উপযুক্ত ডাক্তার নেই বললেই চলে। অনেক সময় স্থানীয় ভেজা ডাক্তার অপারেশন করেন যা ঝুঁকিপূর্ণ। আমি পরামর্শ দেব, ‘বড় হাসপাতাল বেছে নিন, এমনকি খরচ একটু বেশি হলেও’।
আশ্চর্য না? ছোট শহরকে সস্তা ভাবা হয়, কিন্তু বাস্তব জরিপ বলছে ব্যাপারটা উল্টো। কারণ সেসব জায়গায় প্রতিযোগিতা কম, আর লেজার মেশিনের অভাব। তাই ভুল করবেন না শুধু ‘ছোট শহর’ লিখে ভরসা করবেন না।
টিপ: যদি আপনি ছোট শহরে থাকেন, তাহলে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল থেকে একটি আনুমানিক খরচ তালিকা নিন। তারপর ঢাকা বা চট্টগ্রামের বড় হাসপাতালের সাথে তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিন। অনলাইনে তথ্য নেওয়ার সময় ‘লেটেস্ট ডেটা’ চেক করুন গত ৩ মাসের মধ্যে যেকোনো পরিবর্তন দেখুন।
স্বাস্থ্য বীমা ও ইএমআই অপশনঃ বাস্তবে কতটা কাজে লাগে?
অনেকে বলেন, ‘স্বাস্থ্য বীমা থাকলে ভয় নেই’। কিন্তু আমি খোঁজ নিয়ে দেখলাম, বেশিরভাগ স্বাস্থ্য বীমা পাইলস অপারেশন কভার করে না, বা দীর্ঘ অপেক্ষাকাল দেয়। উদাহরণস্বরূপ, ‘প্রগতি ইন্স্যুরেন্স’-এর পলিসি বলে, ‘পাইলস অপারেশন কভারেজের জন্য অপেক্ষাকাল ২ বছর’। অর্থাৎ বীমা করার দুই বছর পর কোনো দাবি করা যাবে। এটা অনেকের জন্যই অগম্য।
আমার দেখা একটি মজার ঘটনা: একজন রোগী ‘পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স’ থেকে বীমা করেছিলেন, কিন্তু ক্লেম করতে গিয়ে দেখা গেল, তাদের ‘লেজার অপারেশন’ কভারেজ নেই। শুধু ‘জেনারেল সার্জারি’ কভার করে। ফলে রোগীকে ৪৫ হাজার টাকা নিজেই দিতে হলো। পরে তিনি নিজেই বললেন, ‘কেনার সময় যদি বিস্তারিত জিজ্ঞেস করতাম!’
তবে ‘ইএমআই’ (কিস্তি) অপশন কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। ‘স্কয়ার হসপিটাল’ এখন ৬ মাস পর্যন্ত কিস্তিতে অপারেশন করায়। প্রতি মাসে ৮-১০ হাজার টাকা করে দিলেই হয়। ‘ল্যাবে আইড’-এও ইএমআই সুবিধা আছে তবে ১২% সুদ নেয়। কিন্তু তারপরও, অনেকের জন্য এটা বড় সুবিধা। আমার দেখা একজন ড্রাইভার ৫০ হাজার টাকার অপারেশন ইএমআইতে করেছেন, এখন মাসে ৯ হাজার দিচ্ছেন।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: ইএমআই নেওয়ার আগে জিজ্ঞেস করুন ‘প্রসেসিং ফি কত?’ আর ‘ডিফল্ট পেনাল্টি কী?’ কারণ অনেক প্রতিষ্ঠান চুপিচুপি অতিরিক্ত ফি নেয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে ‘মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক’-এর ইএমআই পছন্দ করি তাদের সুদ ৯% এবং কোনো লুকোনো খরচ নেই।
পরামর্শ: বীমা কিনলে ‘পাইলস অপারেশন’ অন্তর্ভুক্ত কিনা আগে নিশ্চিত হন। আর ইএমআই নিলে অন্তত দুটি ব্যাংকের শর্ত পড়ে নিন যাতে একটির তুলনায় অন্যটি ভালো মনে হয়। আজই আপনার ব্যাংকে ফোন করে জিজ্ঞেস করুন ‘পাইলস অপারেশনের জন্য ইএমআই কি দেন?’ মাত্র ৫ মিনিটের কাজ।
শেষ কথা
সার্চের মাধ্যমে আমি সবচেয়ে বড় যে বিষয়টা বুঝলাম, তা হলো শুধু অপারেশন ফি নয়, পুরো প্রক্রিয়ার খরচ বুঝতে হবে। আমার জরিপ বলছে, গড়ে একজন রোগীকে অপারেশনের জন্য ৪৫,০০০ থেকে ৬৫,০০০ টাকা খরচ করতে হয়, যা অনলাইনে লেখা ২০-২৫ হাজার থেকে অনেক বেশি। ব্যক্তিগতভাবে আমি লেজার অপারেশনকে আগে রাখি, কারণ দীর্ঘমেয়াদে কম খরচে কাজ হয়।
আপনার জন্য একটি শেষ টিপ: যেকোনো ক্লিনিকে যাওয়ার আগে তাদের কাছ থেকে সকল খরচের ভাঙা তালিকা নিন। বীমা থাকলে জিজ্ঞেস করুন ‘পাইলস কভার করে কি না’। আর ইএমআই নিলে দুটি ব্যাংকের তুলনা করুন। মাত্র ১০ মিনিট সময় দিলেই আপনি ভুল সিদ্ধান্ত থেকে বাঁচতে পারবেন ঠিক আজই শুরু করুন।